প্রকৃতিতে পাওয়া সবচেয়ে বিশুদ্ধ লবণ হিমালয়ান পিংক সল্ট। হিমালয় পর্বত থেকে আহরিত যা “হোয়াইট গোল্ড” নামে সুপরিচিত। এই লবণের অনন্যতার কারণ হচ্ছে এর গোলাপি বর্ণ যা আয়রন অক্সাইডের উপস্থিতির জন্য হয়ে থাকে।
হিমালয়ান পিংক সল্ট সোডিয়াম ক্লোরাইড নিয়ে গঠিত। তবে এতে সালফেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, কপার, জিংক, সেলেনিয়াম, আয়োডিন এবং ফ্লোরাইডসহ প্রায় ৮০টির মত উপাদান থাকে।
উপকারিতা সমূহ –
- হিমালয়ান পিংক সল্ট এলডিএল অর্থাৎ খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
- এটি শরীরে জলের অভাব হতে দেয় না, শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।
- দৈহিক শক্তি বাড়ায়। কারণ এই লবণে রয়েছে শক্তি বৃদ্ধিকারী খনিজ উপাদান।
- হার্টকে সুস্থ রাখে, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়
- হিমালয়ান পিংক সল্ট ও লেবু খেলে মেটাবলিক রেট ভালো থাকে। এটি পরিপাকতন্ত্রকেও সুস্থ রাখে।
- এছাড়াও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমালয়ান পিংক সল্ট দারুণ প্রভাব ফেলে।
- স্ট্রেস এবং বিষণ্নতা কমাতে হিমালয়ান পিংক সল্ট ভূমিকা রাখে।
- হিমালয়ান পিংক সল্ট শরীরের ব্যথা এবং হাড়ের ব্যথার জন্যও উপকারী।
- প্রতিদিন হিমালয়ান পিংক সল্ট খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
- ওজন কমাতে হিমালয়ান পিংক সল্ট খাওয়া যেতে পারে।
- অ্যাজমা এবং আর্থ্রাইটিস রোগীদের সাধারণ লবণের পরিবর্তে এই লবণ খাওয়া উচিত। এটি একটি আয়ুর্বেদিক ওষুধের মতো কাজ করে।
খাওয়ার নিয়ম:
এক গ্লাস পানিতে সামান্য (হাফ – এক) চামচ পিংক সল্ট মিশিয়ে সকালে খাওয়া যেতে পারে।
এক গ্লাস পানিতে পরিমাণ মতো পিংক সল্ট ও মধু মিশিয়ে সেবন করা যেতে পারে, এছাড়া স্বাধ ও পুষ্টিমান বৃদ্ধির জন্য এর সাথে লেবু যোগ করা যেতে পারে।
পরিমান মত পিংক সল্ট, মধু এবং চিয়া সীডের সমন্বয়ে হতে পারে চমৎকার এক সুস্বাদও পুষ্টিকর মিশ্রণ।
এছাড়াও সাধারণ লবনের মত যে কোন খাবারের সাথে মিশিয়েও হিমালয়ান পিংক সল্ট খাওয়া যেতে পারে।




Reviews
There are no reviews yet.